সুহাসিনীর প্রতি
সুহাসিনীর প্রতি
একরাশ আলো ছড়িয়ে দিয়ে
দৃষ্টির উচ্ছ্বলতায় আর ভূবনমোহিনী হাসিতে
প্রথম দৃষ্টি বিনিময়ের ক্ষণটিকে
বেঁধেছিলে চির বসন্তের আবেশে
মুহূর্তেই কেটে গিয়েছিল
এ মনের পুঞ্জীভূত যাবতীয় অমানিশা
কোনো এক অতীন্দ্রিয় মায়াস্পর্শে
পুলকিত হয়েছিল অন্তর বাহির সব
যেন যুগযুগান্তরের প্রতীক্ষার
অবসান হয়েছিল আমার
সেই হাসিমাখা মুখ উচ্ছ্বসিত দৃষ্টি
সঞ্জীবনী হয়ে আমাকে জুগিয়েছে
আরো আরো দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে
জীবনের সমুদয় প্রাপ্যকে
প্রাপ্তিতে পরিনত করার প্রেরণা
দীর্ঘ নিদ্রাজড়তা কাটিয়ে
অকস্মাৎ জেগে উঠেছিলাম আমি
নিদ্রাবৃত স্বপ্নরাশিকে
সূর্যালোকে দৃশ্যমান করতে
হয়েছিলাম প্রতিজ্ঞ
সেই সুহাসিনী তোমাকে যখন দেখি
বিষাদের ছায়া নিয়ে করো খেলা
রাশি রাশি নিরব বেদনাকে সাথী করে
কৃত্রিম সুখ বলয়ে নিজেকে রাখো ঢেকে
চারিদিকে বিলিয়ে দিয়ে আলো
দুর্বিষহ আঁধারে কাঁদো একা
অস্তিত্বের দোদুল্যমানতায় ভুগি আমি
নিমেষেই আমার বসন্ত কাননে
নেমে আসে পাতা ঝরা দিন
কান্না তোমার নয় বেদনা তোমার নয়
নয় কোনো অযাচিত কষ্ট তোমার
বিষাদেও বড্ড বেমানান তুমি
উচ্ছ্বসিত দৃষ্টির আলোকছটায়
চিরায়ত সুহাসিনী তুমি সহাস্যে স্বকীয়
প্রদ্যোত