← Back to poetry
❧

ঈশ্বর ভালো নেই

Poetry

ঈশ্বর ভালো নেই

আমি জেনেগেছি, ঈশ্বর, তোমার আকাশেও আজ অন্ধকারের শেকড় গজায়; তোমার অনন্তের বুকেও সময়ের করাত চলে, তোমার অমরত্বের কপালেও ক্ষয়ের কালো অক্ষর। আমি জেনে গেছি, অবিনশ্বর বলে কিছু নেই; নেই কোনো চিরস্থায়ী সিংহাসন, নেই কোনো অক্ষয় সাম্রাজ্য, নেই কোনো অনন্ত প্রাসাদ, নেই কোনো অপরিবর্তনীয় বিধান, নেই কোনো নাম, যাকে সময়ের দাঁত একদিনও ছুঁতে পারবে না। যা জন্মেছে, তার ভেতরেই মৃত্যুর প্রথম বীজ; যা জ্বলে, তার শিখার অন্তর্গত নিভে যাওয়ার নিয়তি; যে ফুল ফুটেছে, তার পাপড়ির ভাঁজে ভাঁজে ঝরে পড়ার ভবিষ্যৎ; যে নক্ষত্র আজ অন্ধকার ভেদ করে আলো পাঠাচ্ছে, তার বুকেও কোটি কোটি বছরের নিভে যাওয়ার সংবাদ। তবু মানুষ অমরত্বের লোভে পাথরের ওপর নিজের নাম খোদাই করে, তারপর ভাবে, নামটিই বেঁচে থাকবে। হায় মানুষ! সময় পাথরও খায়, সময় মন্দিরও খায়, সময় রাজদণ্ডও খায়, সময়ে শাস্ত্রের অক্ষরও ক্ষয় করে; সময় একদিন ঈশ্বরের ধারণাকেও মানুষের মস্তিষ্কের প্রাচীন কুয়াশা থেকে নতুন অর্থে জন্ম দেয়। আমি তাই তোমার কাছে অমরত্ব চাই না; আমি চাই সত্যের কাছে একটি জ্বলন্ত জীবন, আমি চাই বিবেকের কাছে একটি নির্ভীক আত্মসমর্পণ, আমি চাই মানুষের দুঃখের সামনে আমার সমস্ত অহংকার ছাই হয়ে যাক। কারণ বিবেকের চেয়ে বড় কোনো মন্দির নেই, সত্যের চেয়ে পবিত্র কোনো শাস্ত্র নেই, মানুষের অশ্রুর চেয়ে গভীর কোনো তীর্থ নেই, অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি সোজা মেরুদণ্ডের চেয়ে উজ্জ্বল কোনো প্রার্থনা নেই।

আমি দেখেছি, মানুষ ঈশ্বর বানায়, তারপর ঈশ্বরের নামে নিজের মানুষটাকেই হত্যা করে; মানুষ শাস্ত্র লেখে, তারপর শাস্ত্রের অক্ষর দিয়ে মানুষের গলায় দড়ি বাঁধে; মানুষ পুণ্য বানায়, তারপর পুণ্যের মাপে অন্যের রক্তকে পাপের চেয়েও সস্তা করে; মানুষ স্বর্গ বানায়, তারপর সেই স্বর্গের টিকিট বিক্রি করে মর্ত্যের বাজারে। আমি দেখেছি, ধর্মের পোশাকে লোভ হাঁটে, পুণ্যের মুখোশে ক্ষমতা হাসে, প্রার্থনার ঠোঁটে ষড়যন্ত্র জমে, আর ঈশ্বরের নামের আড়ালে মানুষ মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সাজায়। তখন আমি তোমার দিকে তাকিয়ে প্রথম প্রশ্নটি করেছিলাম, কোথায় তুমি? যখন শিশুর পেটে ক্ষুধা কাঁদে, কোথায় তুমি? যখন মায়ের বুক সন্তানের লাশে পাথর হয়ে যায়, কোথায় তুমি? যখন নিরস্ত্র মানুষের বুকে গুলি ঢোকে, যখন ঘর পুড়ে যায়, যখন নদী রক্ত বহন করে, যখন ইতিহাস বিজয়ীর কালি দিয়ে পরাজিতের কান্না মুছে দেয়, তখন কোথায় তুমি? নাকি তোমারও কোনো অজুহাত আছে? নাকি তুমিও মানুষের মতো নিজের অনুপস্থিতির জন্য একটি পবিত্র ব্যাখ্যা বানিয়ে রেখেছো? আমি উত্তর পাইনি; কিন্তু উত্তরের চেয়ে বড় একটি জিনিস পেয়েছি, প্রশ্ন। আর সেই প্রশ্ন আমার ভেতরে প্রথম বজ্রপাত হয়ে নেমেছিল। সেদিন থেকে আমি আর অন্ধকারকে ঈশ্বর বলে মেনে নিইনি।

আমি প্রশ্ন করেছি, কেন? কেন মানুষ মানুষের ওপর ঈশ্বরের নামে অধিকার চায়? কেন একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের বিবেকের মালিক হতে চায়? কেন জন্মের আগেই মানুষের গলায় বিশ্বাসের দড়ি বাঁধা হয়? কেন শিশুকে শেখানো হয় কীভাবে প্রশ্ন না করতে হয়, কীভাবে মাথা নত করতে হয়, কীভাবে ভয়কে শ্রদ্ধা করতে হয়, আর স্বাধীন চিন্তাকে অপরাধ ভাবতে হয়? যে শিক্ষা প্রশ্নকে হত্যা করে, সে শিক্ষা নয়; যে বিশ্বাস বিবেককে অন্ধ করে, সে বিশ্বাস নয়; যে ধর্ম মানুষকে মানুষ থেকে দূরে সরায়, সে ধর্ম নয়; যে ঈশ্বর মানুষের স্বাধীন চিন্তাকে ভয় পান, তিনি ঈশ্বর নন, তিনি মানুষের নিজের ভয়ের তৈরি একটি বিশাল ছায়া। আমি তাই ছায়ার কাছে মাথা নত করব না। আমি আলো চাই; কিন্তু সেই আলো আকাশ থেকে নেমে আসা কোনো অলৌকিক আলো নয়, সে আলো মানুষের অন্তঃকরণে জ্বলে। সে আলো একটি অন্যায় দেখলে চোখ খুলে দেয়, একটি মিথ্যা শুনলে জিহ্বাকে সত্যের দিকে ঠেলে দেয়, একটি অত্যাচার দেখলে পা দুটিকে প্রতিরোধের পথে নিয়ে যায়। সে আলো বিবেক, সে আলো চেতনা, সে আলো মানুষের ভিতরের অমর সম্ভাবনা।

আমি সত্যের পানে ছুটছি, আর তুমি মর্ত্যের ভাঙা আয়নায় আরও শত ঈশ্বর গড়ছো; একজন ঈশ্বর রাগের, একজন ঈশ্বর ভয়ের, একজন ঈশ্বর লোভের, একজন ঈশ্বর ক্ষমতার, একজন ঈশ্বর জাতের, একজন ঈশ্বর বর্ণের, একজন ঈশ্বর সীমান্তের, একজন ঈশ্বর অস্ত্রের, একজন ঈশ্বর অহংকারের, একজন ঈশ্বর মানুষকে মানুষের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর। আর প্রত্যেক ঈশ্বরের হাতে তুমি একটি করে পতাকা দাও, একটি করে শাস্ত্র দাও, একটি করে নিষেধ দাও; তারপর তাদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে বলো, লড়ো! আর মানুষ লড়ে; ভাই ভাইয়ের বিরুদ্ধে, বন্ধু বন্ধুর বিরুদ্ধে, প্রেমিক প্রেমিকার বিরুদ্ধে, মানুষ মানুষের বিরুদ্ধে। রক্ত রক্তকে চিনতে পারে না, কারণ ঈশ্বরের নামে মানুষ নিজেরই মানুষত্ব ভুলে গেছে। আমি সেই বিস্মৃতির বিরুদ্ধে, আমি সেই অন্ধকারের বিরুদ্ধে, আমি সেই ভয়ের বিরুদ্ধে, আমি সেই পবিত্রতার নামে পৃথিবীকে অপবিত্র করার সমস্ত আয়োজনের বিরুদ্ধে। আমি বলি, মানুষ আগে, তারপর সবকিছু; মানুষের জীবন আগে, তারপর সব মতবাদ; মানুষের অশ্রু আগে, তারপর সব শাস্ত্র; মানুষের স্বাধীনতা আগে, তারপর সব বিধান; মানুষের বিবেক আগে, তারপর সব ঈশ্বরের দাবি। কারণ যে ঈশ্বরকে রক্ষা করতে মানুষকে হত্যা করতে হয়, সেই ঈশ্বরকে রক্ষা করার দরকার নেই; যে ধর্মকে বাঁচাতে মানুষের হৃদয় পোড়াতে হয়, সে ধর্মকে মানুষের হৃদয়ের কোনো প্রয়োজন নেই; যে সত্য মানুষকে মানুষ থেকে ঘৃণা করতে শেখায়, সে সত্য নয়, সে বিষ; আর বিষকে পবিত্র বললেই অমৃত হয়ে যায় না।

আমি তাই বিষের পাত্র ভেঙে মানুষের হাতে জলের পাত্র তুলে দিতে চাই। আমি স্বর্গ চাই না, আমি পৃথিবী চাই; এই পৃথিবী, যেখানে শিশুরা ধর্মের পরিচয়ে নয়, হাসির পরিচয়ে বড় হবে; যেখানে মানুষের নাম তার মানবিকতার চেয়ে বড় হবে না; যেখানে কোনো মায়ের সন্তান হারানোর আগে ঈশ্বরের কাছে অনুমতি চাইতে হবে না; যেখানে কোনো মানুষের ভালোবাসা কোনো বিধানের কাছে অপরাধ হবে না; যেখানে সত্য বলার জন্য কোনো মানুষের জিহ্বা কেটে ফেলা হবে না; যেখানে প্রশ্ন করা বিদ্রোহ নয়, চিন্তা করা অপরাধ নয়, ভালোবাসা পাপ নয়, স্বাধীনতা অভিশাপ নয়। আমি সেই পৃথিবীর দিকে হেঁটে চলেছি। পথ দীর্ঘ, পথ রক্তাক্ত, পথে কাঁটা, পথে অন্ধকার, পথে শত্রু, পথে নিজের ভেতরের ভীরুতাও আছে; তবু আমি থামব না। কারণ আমি জানি, যে মানুষ সত্যের পথে হাঁটে, সে কখনো একা নয়। তার সঙ্গে থাকে তার বিবেক, তার সঙ্গে থাকে তার প্রশ্ন, তার সঙ্গে থাকে তার সময়ের সমস্ত নীরব কান্না, তার সঙ্গে থাকে অসংখ্য মৃত মানুষের অপূর্ণ স্বপ্ন, তার সঙ্গে থাকে ভবিষ্যতের অদেখা শিশুদের চোখ।

আমি তাদের জন্য হাঁটছি, যারা এখনো জন্মায়নি। আমি তাদের জন্য সত্য রেখে যেতে চাই। আমি চাই, আমার সময় আমার পরে আসা মানুষকে আরও একটু কম অন্ধকার দিক, আরও একটু বেশি প্রশ্ন দিক, আরও একটু বেশি স্বাধীনতা দিক, আরও একটু বেশি মানুষ হওয়ার সাহস দিক। আমার দেহ একদিন ভস্ম হবে, হোক; আমার নাম একদিন বাতাসে মিশে যাবে, যাক; আমার কণ্ঠ একদিন থেমে যাবে, থামুক। কিন্তু আমার বিবেক যদি আরেকটি মানুষের বিবেককে জাগিয়ে তোলে, আমার প্রশ্ন যদি আরেকটি মানুষের চোখে আগুন জ্বালায়, আমার সত্য যদি আরেকটি মানুষের মেরুদণ্ড সোজা করে, তবে আমার নশ্বরতা পরাজয় নয়, আমার মৃত্যু শেষ নয়। আমি তখন শরীরের সীমা পেরিয়ে চেতনার ভেতর একটি ক্ষুদ্র আগুন হয়ে থাকব। কারণ আগুনকে মুছে ফেলা যায় না, শুধু এক পাত্র থেকে আরেক পাত্রে সরিয়ে নেওয়া যায়; চেতনাকে মেরে ফেলা যায় না, শুধু এক কণ্ঠ থেকে আরেক কণ্ঠে প্রেরণ করা যায়; সত্যকে কবর দেওয়া যায় না, কারণ কবরের নিচেও বীজ থাকে, আর বীজ অন্ধকারকে ভেদ করে একদিন আলোয় উঠে আসে।

আমাকে ভয় দেখিও না; নরক দেখিয়ে নয়, স্বর্গ দেখিয়ে নয়, মৃত্যু দেখিয়ে নয়। আমি মৃত্যুকে আমারই ছায়া বলে চিনি, আমি অন্ধকারকে আলোর অনুপস্থিতি বলে চিনি, আমি ভয়কে মানুষের মনের একটি পুরোনো কারাগার বলে চিনি। আর আমি জানি, কারাগারের দরজা অনেক সময় বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকে খোলে। তাই আমি আমার ভেতরের দরজা খুলে দিয়েছি। এসো, যে সত্য আমাকে পোড়াবে, তাকে আমি গ্রহণ করব; যে প্রশ্ন আমাকে ভেঙে দেবে, তাকে আমি স্বাগত জানাব; যে আলো আমার সমস্ত মিথ্যা নগ্ন করে দেবে, তার সামনে আমি চোখ বন্ধ করব না। কারণ মিথ্যার চেয়ে নগ্ন সত্য সুন্দর, ভয়ের চেয়ে বিপজ্জনক সাহস সুন্দর, অন্ধ বিশ্বাসের চেয়ে জিজ্ঞাসু সংশয় সুন্দর, আর ঈশ্বরের কাছে অন্ধ প্রার্থনার চেয়ে মানুষের পাশে একটি সৎ হাত অসংখ্য গুণ পবিত্র।

ঈশ্বর, তুমি ভালো নেই; কারণ মানুষ জেগে উঠেছে। মানুষ তার নিজের চোখে আলো দেখেছে, মানুষ তার নিজের হৃদয়ে বিবেকের বজ্র শুনেছে, মানুষ বুঝেছে, তার মাথা নত করার জন্য নয়, তার মেরুদণ্ড দাঁড়িয়ে থাকার জন্য; তার জিহ্বা মিথ্যা বলার জন্য নয়, সত্য উচ্চারণের জন্য; তার হাত ধ্বংসের জন্য নয়, নির্মাণের জন্য; তার জীবন দাসত্বের জন্য নয়, মুক্তির জন্য। মানুষ বুঝেছে, ঈশ্বরকে খুঁজতে হলে প্রথমে মানুষকে খুঁজতে হয়; স্বর্গ পেতে হলে প্রথমে পৃথিবীকে বাসযোগ্য করতে হয়; পবিত্র হতে হলে প্রথমে অন্যের ক্ষুধা নিজের ক্ষুধা বলে অনুভব করতে হয়; আর সত্যের কাছে পৌঁছাতে হলে প্রথমে নিজের মিথ্যার মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়।

আমি দাঁড়িয়েছি; নগ্ন, নির্ভীক, নিঃসঙ্গ, কিন্তু পরাজিত নই। কারণ আমার সঙ্গে আমার বিবেক, আমার সঙ্গে আমার প্রশ্ন, আমার সঙ্গে আমার সময়, আমার সঙ্গে অসংখ্য মানুষের অদৃশ্য আর্তনাদ, আমার সঙ্গে আগামী দিনের অদেখা সূর্য। আর আমার বুকের মধ্যে একটি শব্দ অবিরত বাজছে, জাগো! জাগো! জাগো! অন্ধকারকে তার নিজের নাম ধরে ডাকো, মিথ্যাকে মিথ্যা বলো, অন্যায়কে অন্যায় বলো, ভয়কে ভয় বলো, আর মানুষকে মানুষ বলে ভালোবাসো। এই আমার ধর্ম, এই আমার প্রার্থনা, এই আমার মন্ত্র, এই আমার বিদ্রোহ, এই আমার বিবেকের শাশ্বত উচ্চারণ।

‘প্রদ্যোত‘ আমি, শাব্দিক অর্থে ‘প্রকৃষ্ট আলোর দ্যুতি‘। আমি কোনো ঈশ্বর নই, আমি কোনো অবিনশ্বর নই; আমি কেবল সময়ের অন্ধকারে একটি ক্ষণিক শিখা। কিন্তু যতক্ষণ জ্বলছি, অন্ধকারকে অন্ধকারই বলব; যতক্ষণ শ্বাস আছে, মিথ্যার বিরুদ্ধে শ্বাস নেব; যতক্ষণ কণ্ঠ আছে, সত্যের জন্য কণ্ঠ তুলব; যতক্ষণ হৃদয় আছে, মানুষের জন্য ধকধক করব। আর যেদিন আমার শরীর শেষবারের মতো মাটির কাছে ফিরে যাবে, সেদিনও আমার প্রশ্ন বেঁচে থাকুক, আমার সত্য বেঁচে থাকুক, আমার বিবেক বেঁচে থাকুক, আমার চেতনা বেঁচে থাকুক। কারণ মানুষ মরে, কিন্তু জাগরণ মরে না; শরীর মরে, কিন্তু সত্য মরে না; নাম মুছে যায়, কিন্তু চেতনা মুছে যায় না; ঈশ্বরের মূর্তি ভাঙে, সিংহাসন ভাঙে, সাম্রাজ্য ভাঙে, শাস্ত্রের ব্যাখ্যা বদলে যায়, কিন্তু একজন মানুষের অন্তরের সত্য যদি একবার জেগে ওঠে, তাকে আর কোনো শক্তি চিরকাল ঘুম পাড়িয়ে রাখতে পারে না।

ঈশ্বর, তুমি নও আমার শেষ আশ্রয়, সত্যই আমার আশ্রয়; তুমি নও আমার শেষ আলো, বিবেকই আমার আলো; তুমি নও আমার মুক্তির পথ, চেতনা আমার পথ। আর আমি, নশ্বর হয়েও, অমরত্বের ভিক্ষা না চেয়ে সত্যের আগুনে নিজেকে জ্বালিয়ে সময়ের বুকের ওপর একটি মাত্র বাক্য লিখে যেতে চাই: মানুষ, মানুষের চেয়ে বড় কোনো ঈশ্বর নেই; বিবেক, বিবেকের চেয়ে পবিত্র কোনো বেদি নেই; সত্য, সত্যের চেয়ে দীপ্ত কোনো সূর্য নেই; আর জাগ্রত চেতনার চেয়ে শক্তিশালী কোনো অমরত্ব নেই।

প্রদ্যোত / ১৬ আগস্ট ২০২৬

✦